১০৯তম মহান রুশ বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন
মহান রুশ বিপ্লবের ১০৯তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এ উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ০৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় গুলিস্তান কার্যালয়ে জমায়েত হয়ে নেতাকর্মীরা লাল পতাকা ও বিভিন্ন ফ্যাস্টুন সহকারে মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশে মিলিত হন। প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি চৌধুরী আশিকুল আলম। সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্তের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ শাহ আলম ভূইয়া, বাংলাদেশ স’মিল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস এন্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ ইয়াছিন, বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান খাঁন। এছাড়াও সমাবেশে সংহতি জানাতে উপস্থিত ছিলেন ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি শ্যামল কুমার ভৌমিক ও গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা কামরুন্নারসহ প্রগতিশীল আন্দোলনের নেতাকর্মী।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রুশ বিপ্লব দুনিয়ার শ্রমিকশ্রেণি, নিপীড়িত জাতি ও জনগণের সামনে মুক্তির আলোকবর্তিকা হিসেবে পথ প্রদর্শন করে। মহান অক্টোবর বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে দেশে দেশে সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করার আহবান জানান বক্তারা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মহান অক্টোবর বিপ্লবের অজেয় ও অমর শিক্ষাকে সামনে রেখে সাম্রাজ্যবাদী অন্যায় যুদ্ধ তথা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিপদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোতে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব এবং বাংলাদেশের মত নয়াউপনিবেশিক-আধাসামন্তবাদী দেশগুলোতে জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব জয়যুক্ত করে বিশ্ব বিপ্লব তথা সমাজতন্ত্র-কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার সুমহান লক্ষ্য আজ পৃথিবীর সকল শোষিত মানুষের মুক্তির একমাত্র পথ। বিশ্ব শ্রমিকশ্রেণি ও জনগণকে বিভ্রান্ত, বিভক্ত ও বিপথগামি করতে সর্বাত্মক তৎপর রয়েছে সকল রূপের সুবিধাবাদী ও সংশোধনবাদীরা। ‘মার্কসবাদ-লেনিনবাদ ব্যর্থ, সমাজতন্ত্র ব্যর্থ এবং পুঁজিবাদ শ্বাশ্বত ও সংকট মুক্ত’ বলে পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী ও সকল রূপের সুবিধাবাদী-সংশোধনবাদীরা যে প্রতিবিপ্লবী প্রচারাভিযান চালিয়েছিল তার বেঠিকতা প্রমাণিত হচ্ছে সমগ্র পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থায় চলমান দীর্ঘস্থায়ী মন্দা ও সংকটের মধ্য দিয়ে। বিশ্বব্যাপী তিন মৌলিক দ্বন্দ্বের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে একদিকে পুঁজি ও শক্তির অনুপাতে বাজার ও প্রভাববলয় পুর্নবন্টন নিয়ে আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্রতর হয়ে বাণিজ্যযুদ্ধ, মুদ্রাযুদ্ধ, স্থানিক ও আঞ্চলিক যুদ্ধ, সাইবার যুদ্ধ ইত্যাদির ধারাবাহিকতায় পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারসহ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিপদ বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। সাম্রাজ্যবাদীদের কেউ কেউ এ প্রেক্ষাপটকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু বলে আখ্যায়িত করছে। এ সময়ে ইউরোপে ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে সাম্রাজ্যবাদী রাশিয়ার সাথে পাশ্চাত্যের সামরিক জোট ন্যাটোর চলমান আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ; মার্কিনের মদদপুষ্ঠ ইসরাইলের প্যালেস্টাইনে আগ্রাসন ও গণহত্যা এবং সংশ্লিষ্ট লেবানন ও সিরিয়ায় যুদ্ধ সম্প্রসারণ; মার্কিন ও ইসরাইল কর্তৃক ইরানে আগ্রাসনের ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ সম্প্রসারণ ইত্যাদি যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বকে অস্থির করে চলেছে। আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী এই যুদ্ধ উত্তেজনা সমগ্র বিশ্বে বিভিন্ন জোট ও নতুন মেরুকরণ প্রক্রিয়া অগ্রসর হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার পরিণতিতে সাম্রাজ্যবাদীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে বিশ্বযুদ্ধে লিপ্ত হওয়া প্রস্তুতি অগ্রসর হচ্ছে। এর বিপরীতে বিশ্বের দেশে দেশে শ্রম-পুঁজির দ্বন্দ্ব তীব্রতর হয়ে শ্রমিক আন্দোলন, ছাত্র আন্দোলন, পেশাজীবী আন্দোলন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপ্লবী প্রবাহ সৃষ্টি হচ্ছে। খোদ মার্র্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের আন্দোলন, কৃষ্ণাঙ্গদের ‘ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার’ আন্দোলন; মধ্যপ্রাচ্যে আগ্রাসী যুদ্ধে বিরুদ্ধে আন্দোলন, শিল্পের শ্রমিকদের আন্দোলন ইত্যাদি আন্দোলনসহ একের পর এক শ্রমিক-ছাত্র-জনতার আন্দোলন আমেরিকার একচেটিয়া পুঁজিপতি শ্রেণির ভিতকে কাপিয়ে তুলছে। মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, চিকিৎসা ও পেনশন সুবিধা হ্রাস, অভিবাসী বিরোধী নীতি ইত্যাদির ফলে আজ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের ‘আমেরিকার স্বপ্ন’ ভঙ্গ হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বাকি অন্যান্য পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর অর্থনৈতিক শ্লথ ও সংকটের প্রভাবে শ্রম-পুঁজির দ্বন্দ্ব তীব্রতর হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে ফ্রান্সে শ্রমিক আন্দোলন তীব্রতর হয়ে শ্রমিক-ছাত্র-শিক্ষক-জনতার সহিংস আন্দোলন, বৃটেনে পাতাল রেল শ্রমিকদের আন্দোলন, জার্মানিতে ভক্সওয়াগণের শ্রমিকদের আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন, বেলজিয়াম, ইতালি, স্পেন, গ্রিসে ছাত্র আন্দোলন এর সাথে সাথে, আলবেনিয়া, পর্তুগাল স্পেনে শ্রমিক জনতার আন্দোলনসহ সমগ্র ইউরোপে শ্রমিকশ্রেণি ও জনগণ জীবনজীবিকা ব্যয় বৃদ্ধি ও মান কমে যাওয়ার বিরুদ্ধে, আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফুঁসছে। এর সাথে সাথে এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের দালাল সামন্ত আমলা মুৎসুদ্দি পুঁজির বিরুদ্ধে শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র জনতার দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে এবং দেশে দেশে বিপ্লব তথা বিশ্ববিপ্লবের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুত-জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুতের লোড শেডিংয়ের কারণে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন দ্রব্যমূল্যের কষাঘাতে জর্জরিত জনগণের জীবনে নাভিশ্বাস উঠছে। দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির এই সময়ে বাচাঁর মত মজুরি না পেয়ে অর্ধাহার-অনাহার ক্লিষ্ট শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি জনগণের জীবন চলাই দায় হয়ে পড়েছে। জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রেই লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধি ঘটলেও শ্রমিক-কৃষক-জনগণের মজুরি বা আয় বাড়েনি। সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে স্কেলে ১৪২ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির কথা সরকারিভাবে প্রচার করা হয়েছে। যার কারণে ইতোমধ্যে বাজারে আরেক দফা দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। সরকার ১৪/১৫ লাখ সরকারি কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধির ব্যবস্থা করলেও দেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকা শক্তি প্রায় সাড়ে ৭ কোটি শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার কোন উদ্যোগ নেয়নি। সরকার শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবি উপেক্ষা করে চললেও প্রভূ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সাথে দাসত্বের বাণিজ্য চুক্তির শর্ত পুরণে জনগণের ঘাড়ে ঋণের বোঝা চাপিয়ে ২৫ টি বোয়িং ও ১০ এয়ারবাস বিমান কেনার চুক্তি করেছে। শুধু তাই নয় ভূরাজনৈতিক ও রণনীতিগত গুরুত্বপূর্ণ নয়াউপনিবেশিক আধাসামন্ততান্ত্রিক বঙ্গোপোসাগরীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে নিয়েও আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধে সম্পৃক্ত করার ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত অগ্রসর করে চলেছে। মার্কিনের নেতৃত্বে পাশ্চাত্যের সাম্রাজ্যবাদ ও প্রতিপক্ষ সাম্রাজ্যবাদী চীন-রাশিয়া উভয়পক্ষই স্বপক্ষে বাংলাদেশকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করতে চায়। আজ তাই বাংলাদেশের শ্রমিক-কৃষক-জনগণকে জীবিকার সংগ্রামের সাথে সাথে জীবন রক্ষায় আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।
বক্তারা বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতিপূর্ণভাবে জাতীয় ন্যূনতম মূল মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণা, গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি ও নিহতের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপুরণ প্রদানের পাশাপাশি অবিলম্বে গঠিত মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে বাজারদরের সাথে সংগতিপূর্ণ মজুরি ঘোষণা, গণতান্ত্রিক শ্রমআইন প্রণয়ন ও অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ ১০ দফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।

সিলেট: মহান রুশ বিপ্লবের শিক্ষায় উজ্জ্বিবীত হয়ে ১০৯ তম মহান রুশ অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকীতে লাল পতাকা মিছিল করেছে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা। বিকেল ৪টায় সুরমা পয়েন্টে সমাবেশ করে লাল পতাকা র্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছাদেক মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুজন মিয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি খোকন আহমদ, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ (শান্ত), বাংলাদেশ স’মিল শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সাহাব উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইমান আলী, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি জয়নাল মিয়া, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি বিল্লাহ, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের আহবায়ক মোঃ আবদাল মিয়া, মীরেরচক শ্রমজীবী সংঘের অন্যতম নেতা দুলাল মিয়াসহ প্রমুখ।

চট্টগ্রাম: মহান অক্টোবর বিপ্লবের ১০৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ, চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি খোরশেদ আলম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ এমরান হোসেন এর সঞ্চালনায় নগরীর নিউমার্কেট জলসা অফিসে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি, চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রদল, চট্টগ্রাম জেলার আহবায়ক প্রদীপ্ত জামান শেলী, বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সবুজ, বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশন, চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন, বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, বায়েজিদ আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

ময়মনসিংহ: বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ ময়মনসিংহ জেলা কমিটির উদ্যোগে বিভিন্ন বেসিক ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে রুশ বিপ্লবের তাৎপর্য ও শ্রমিক শ্রেণির করণীয় শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ এর সভাপতিত্বে মূল আলোচনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান সাজ, জেলা রঙ মিস্ত্রি ইউনিয়নের সহ সম্পাদক আবুল কালাম, জেলা মটরসাইকেল ওয়ার্কসপ মেকানিক্স ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহমান টমন ও সাধারণ সম্পাদক সেলিম মিয়া, দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ সরকার, হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়নের ফরিদ মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় মাস ব্যাপী বিভিন্ন বেসিক ইউনিয়নের সাথে রুশ বিপ্লবের তাৎপর্য ও শ্রমিক শ্রেণির করণীয় বিষয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
